জনগণের দাবি, জনগণের অধিকার ও সমাধানকে ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আমাদের ইশতেহার ও কর্মপরিকল্পনা
প্রতিশ্রুতি নয়—বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে জনগণের সেবা নিশ্চিত করার রূপরেখা।
জনগণের মতামতকে সিদ্ধান্তে অন্তর্ভুক্ত করতে নিয়মিত মতবিনিময় সভা ও ডিজিটাল ফিডব্যাক ব্যবস্থা চালু করা হবে।
নারী, যুবক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় সমান সুযোগ ও ন্যায়ভিত্তিক সেবা নিশ্চিত করা হবে।
স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতি গড়া হবে।
উন্নয়ন কার্যক্রম, তহবিল ব্যবহার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া জনগণের জন্য উন্মুক্ত ও নিয়মিত প্রকাশ করা হবে।
নাগরিক সেবা সহজ ও দ্রুত করতে ডিজিটাল আবেদন, হেল্পডেস্ক ও অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালু করা হবে।
বাংলাদেশের জনগণের জন্য বাস্তব ও দৃশ্যমান ফলাফল নিশ্চিত করা
চৌহালীর মানুষের সবচেয়ে বড় সংকট যমুনা নদীভাঙন ৷ আমার অঙ্গীকার— তিস্তা প্রকল্পের আদলে যমুনা নদীর দুই পাড়ে স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা এবং নদীর দুই পাড়ে মাটি ভরাট করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন করা এবং কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র কুটির শিল্প স্থাপন করে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ।
বেলকুচি,চৌহালি,এনায়েতপুরের কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে “ কৃষক কার্ড বিতরণ করা এবং এই কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে উন্নত বীজ, সার ও কীটনাশক সরবরাহ করা। সরকারি ক্রয়কেন্দ্র স্থাপন করে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা।কৃষকদের আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের জন্য কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া ও বিনামূল্যে কৃষকদের মধ্যে আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের ব্যবস্থা করা। কৃষকদের কে কৃষি ঋণ থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করা
এই এলাকা দেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পের প্রাণকেন্দ্র। তাঁত শিল্পকে রক্ষার জন্য তাঁত ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে স্বল্প সুদে তাঁতিদের ঋণের ব্যবস্থা করা। সয়দাবাদ থেকে এনায়েতপুর পর্যন্ত গ্যাস লাইন স্থাপন করে তাঁতিদের গ্যাস লাইন সংযোজন দেয়া হবে। গ্যাস লাইন সংযোগ দিলে তাঁতিরা গ্যাস ব্যবহার করে নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন করে তাঁত শিল্প যেমন রক্ষা পাবে তেমনি তাঁতিদের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে ।
বেলকুচিতে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক স্থাপন করা হবে। এই ইন্ড্রাস্টিয়াল পার্কের মধ্যে গার্মেন্টস ও কুটির শিল্প নির্মান করে ১০–১২ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে ।
এডুকেশনাল পার্কের মধ্যে বিজিএমইএ এর আদলে একটি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিদেশে প্রশিক্ষিত কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যে ম্যানপাওয়ার ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং প্রতি বছর ১ হাজার কর্মীকে ট্রেনিং দিয়ে ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে বিদেশে চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।
সৃজনশীল ও উন্নত শিক্ষার পরিবেশ, ইংরেজি মাধ্যম কিন্ডারগার্টেন স্থাপন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ সহ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও মানোন্নয়ন এবং পাঠাগার, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও মুক্তমঞ্চ স্থাপন করা ।
জনগণের সাথে আমাদের যাত্রার অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলো
আপনার সহযোগিতায় আমরা আরও বেশি মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারি। আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ুন।
আপনার সমস্যা ও অভিযোগ জানান। আমরা সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত
আপনার অভিজ্ঞতা ও মতামত জানান। জরিপে অংশ নিয়ে আমাদের সেবাকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা করুন।
আপনার যেকোনো প্রশ্ন, সমস্যা বা তথ্যের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমরা দ্রুত উত্তর দিতে প্রস্তুত।