বাংলাদেশের জনগণের জন্য বাস্তব ও দৃশ্যমান ফলাফল নিশ্চিত করা
চৌহালীর মানুষের সবচেয়ে বড় সংকট যমুনা নদীভাঙন ৷ আমার অঙ্গীকার— তিস্তা প্রকল্পের আদলে যমুনা নদীর দুই পাড়ে স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা এবং নদীর দুই পাড়ে মাটি ভরাট করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন করা এবং কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র কুটির শিল্প স্থাপন করে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ।
বেলকুচি,চৌহালি,এনায়েতপুরের কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে “ কৃষক কার্ড বিতরণ করা এবং এই কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে উন্নত বীজ, সার ও কীটনাশক সরবরাহ করা। সরকারি ক্রয়কেন্দ্র স্থাপন করে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা।কৃষকদের আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের জন্য কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া ও বিনামূল্যে কৃষকদের মধ্যে আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের ব্যবস্থা করা। কৃষকদের কে কৃষি ঋণ থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করা
এই এলাকা দেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পের প্রাণকেন্দ্র। তাঁত শিল্পকে রক্ষার জন্য তাঁত ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে স্বল্প সুদে তাঁতিদের ঋণের ব্যবস্থা করা। সয়দাবাদ থেকে এনায়েতপুর পর্যন্ত গ্যাস লাইন স্থাপন করে তাঁতিদের গ্যাস লাইন সংযোজন দেয়া হবে। গ্যাস লাইন সংযোগ দিলে তাঁতিরা গ্যাস ব্যবহার করে নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন করে তাঁত শিল্প যেমন রক্ষা পাবে তেমনি তাঁতিদের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে ।
বেলকুচিতে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক স্থাপন করা হবে। এই ইন্ড্রাস্টিয়াল পার্কের মধ্যে গার্মেন্টস ও কুটির শিল্প নির্মান করে ১০–১২ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে ।
এডুকেশনাল পার্কের মধ্যে বিজিএমইএ এর আদলে একটি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিদেশে প্রশিক্ষিত কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যে ম্যানপাওয়ার ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং প্রতি বছর ১ হাজার কর্মীকে ট্রেনিং দিয়ে ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে বিদেশে চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।
সৃজনশীল ও উন্নত শিক্ষার পরিবেশ, ইংরেজি মাধ্যম কিন্ডারগার্টেন স্থাপন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ সহ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও মানোন্নয়ন এবং পাঠাগার, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও মুক্তমঞ্চ স্থাপন করা ।
“ স্বাস্থ্য কার্ড ” চালু করা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে ডায়াবেটিক মহামারি আকারে দেখা দিয়েছে। ডায়াবেটিক রোগিদের স্বল্প খরচে চিকিৎসা দেয়ার জন্য একটি ডায়াবেটিক সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে ।
সয়দাবাদ থেকে এনায়েতপুর পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত করা হবে। কেজির মোড় ও মুকুন্দগাতি এলাকায় যানজট নিরসনের লক্ষ্যে বাইপাস বা ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে ।
নারীদেরকে আত্মনির্ভরশীল করার জন্য “ ফ্যামিলি কার্ড ” প্রদান করা হবে। ইভটিজিং এর হাত থেকে নারী ও ছাত্রীদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে একটি ডিজিটাল হটলাইন সেবাকেন্দ্র চালু করা হবে।
সোহাগপুর হাট সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন করা হবে ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
জুলাই আন্দোলনের আহত-নিহত পরিবারগুলোক আর্থিক সহায়তা প্রদান করা ও সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।
এনায়েতপুর থানাকে উপজেলা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করা হবে ।